যারা এন্টিবায়োটিকের কোর্স কমপ্লিট করতে চান না বা বিরক্ত লাগে, তাদের জন্য সুখবর !!!!
অতি সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষনা পত্রে যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক দাবি করেছেন, এন্টিবায়োটিক ডোজ কমপ্লিট করলে তা উপকারের চেয়ে ক্ষতিই করতে পারে।
এন্টিবায়োটিক কোর্স কমপ্লিল্ট না করলে যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যায়, এ ব্যাপারে পোক্ত প্রমাণ নেই। বিএমজি জার্নালে প্রকাশিত সেই গবেষনাপত্রের গবেষক দলের দাবি, এন্টিবায়োটিকের ডোজ কমপ্লিল্ট করলে তা রেজিস্ট্যান্স না কমিয়ে বরং বাড়িয়ে দেয়। এতে অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের সম্ভাবনা বেড়ে য়ায় বলে এমন হতে পারে। চিকিৎসকদের মধ্যে এ ব্যাপারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
গবেষক দলের পরামর্শ হলো, রুগী যখন ভালো বোধ করবে, তখন এন্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধ করে দিবে। তবে সকল ইনফেকশনের ক্ষেত্রে এ কথা নাও প্রযোজ্য হতে পারে। তবে অন্য চিকিৎসকদের মতামত হলো এখনই এন্টিবায়ািটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডাক্তারদের পরামর্শ পরিবর্তনের সময় আসেনি।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিনের অধ্যাপক ও গবেষনা প্রবন্ধের সহযোগী লেখক টিম পেটো বলেন,” আমরা আদৌ বলছি না রোগীদের ভাল বোধ করলে এটা বন্ধ করা উচিত বা ডাক্তারের পরামর্শকে অবহেলা করা উচিত।”
এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের বর্তমান প্রথা এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের গোড়ার দিক থেকে চলে আসছে।
১৯৪৫ সালে আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং নোবেল প্রাইজ নেওয়ার সময় যে বক্তব্য দেন, তাতে তিনি অপর্যাপ্ত এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে রেজিস্ট্যান্স গ্রোথ হওয়ার ফলে এক কল্পিত রোগীর মৃত্যুর কথা বরলন এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমানে অর্থাৎ ডোজ পুরন করে করা উচিত। তখন থেকে আজ পর্যন্ত কেউ এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে নি ।
রয়েল কলেজ অফ জেনারেল ফিজিশিয়ান (আরসিজিপি) -এর সভানেত্রী প্রফেসর হেলেন স্ট্রোকস-ল্যাম্পার্ড এর মতে, ”শুধুমাত্র একটা গবেষনার উপর ভিত্তি করে আমরা ব্যাপক ভিত্তিতে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার পরামর্শ পরিবর্তন করতে পারি না। তার মতে বিস্তারিত বা আরো কিচু জানার পূর্ব পর্যন্ত জনগনের উচিত এন্টিবায়োটিক এর ডোজ কমপ্লিল্ট করা। তবে তার মতে এ ব্যাপারে আরো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
যুক্তরাজজ্যের “ন্যশনাল হেল্থ সার্ভিসেস ”(এনএইচএস) এর মতে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মানব জাতির জন্য একটা বড় ধরণের হুমকি।এনএইচএস ও ডব্লিওএইচও - উভয়েই এন্টিবায়োটিক ডোজ কমপ্লিট করতে বলে।
ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন এর মাইক্রোবিয়াল প্যাথোজেনেসিস এর অধ্যাপক জডি লিন্সলেে এর মতে ভাল বোধ করলে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধ করাটাই যুক্তিযুক্ত।
পেটো বলেন, এ ব্যাপারে আরো উচ্চ মান সম্পন্ন গবেষনা করা হচ্ছে।
খবর: সিএনএন নিউজ
![]() |
| Photo: Bacteria |
![]() |
| Photo: Antibiotics |
গবেষক দলের পরামর্শ হলো, রুগী যখন ভালো বোধ করবে, তখন এন্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধ করে দিবে। তবে সকল ইনফেকশনের ক্ষেত্রে এ কথা নাও প্রযোজ্য হতে পারে। তবে অন্য চিকিৎসকদের মতামত হলো এখনই এন্টিবায়ািটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডাক্তারদের পরামর্শ পরিবর্তনের সময় আসেনি।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিনের অধ্যাপক ও গবেষনা প্রবন্ধের সহযোগী লেখক টিম পেটো বলেন,” আমরা আদৌ বলছি না রোগীদের ভাল বোধ করলে এটা বন্ধ করা উচিত বা ডাক্তারের পরামর্শকে অবহেলা করা উচিত।”
এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের বর্তমান প্রথা এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের গোড়ার দিক থেকে চলে আসছে।
১৯৪৫ সালে আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং নোবেল প্রাইজ নেওয়ার সময় যে বক্তব্য দেন, তাতে তিনি অপর্যাপ্ত এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে রেজিস্ট্যান্স গ্রোথ হওয়ার ফলে এক কল্পিত রোগীর মৃত্যুর কথা বরলন এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমানে অর্থাৎ ডোজ পুরন করে করা উচিত। তখন থেকে আজ পর্যন্ত কেউ এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে নি ।
রয়েল কলেজ অফ জেনারেল ফিজিশিয়ান (আরসিজিপি) -এর সভানেত্রী প্রফেসর হেলেন স্ট্রোকস-ল্যাম্পার্ড এর মতে, ”শুধুমাত্র একটা গবেষনার উপর ভিত্তি করে আমরা ব্যাপক ভিত্তিতে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার পরামর্শ পরিবর্তন করতে পারি না। তার মতে বিস্তারিত বা আরো কিচু জানার পূর্ব পর্যন্ত জনগনের উচিত এন্টিবায়োটিক এর ডোজ কমপ্লিল্ট করা। তবে তার মতে এ ব্যাপারে আরো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
যুক্তরাজজ্যের “ন্যশনাল হেল্থ সার্ভিসেস ”(এনএইচএস) এর মতে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মানব জাতির জন্য একটা বড় ধরণের হুমকি।এনএইচএস ও ডব্লিওএইচও - উভয়েই এন্টিবায়োটিক ডোজ কমপ্লিট করতে বলে।
ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন এর মাইক্রোবিয়াল প্যাথোজেনেসিস এর অধ্যাপক জডি লিন্সলেে এর মতে ভাল বোধ করলে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধ করাটাই যুক্তিযুক্ত।
পেটো বলেন, এ ব্যাপারে আরো উচ্চ মান সম্পন্ন গবেষনা করা হচ্ছে।
খবর: সিএনএন নিউজ



No comments